1. admin@pekuanews24.com : admin-pekuanews :
  2. mdjalalpekua@gmail.com : jalal uddin : jalal uddin
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

পেকুয়ায় পাহাড়ে অবৈধ বাড়ি ও দোকান নির্মাণের মহোৎসব

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ার টইটং ইউনিয়নের বনকাননের বন-মন্ত্রণালয়ের অধিভূক্ত সংরক্ষিত এলাকা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী আবদু সালামসহ ভূঁয়া ডাক্তার জমির আহমদ। ডাঃ জমির আহমেদ গত কিছুদিন ধরে সংরক্ষিত এলাকায় ২০টির মত দোকান নির্মাণ করে আসছে। এ বিষয়ে বন-বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বারবার সংবাদ দেয়ার পরও কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় কোন প্রকার পদক্ষেপ নিচ্ছে না এতে ক্ষোভ ও নেতিকবাচক ভাব পরিলক্ষিত সাধারণ মানুষের মাঝে।
এসব অবৈধ নির্মাণ কাজ বীরদর্পে করে যাচ্ছে টইটং ইউনিয়নের আহমদ হোছেন,ডাঃ জমির আহমদ ও আবদু সালাম। আবদু সালাম ক্ষমতাসীনদলের এক নেতার চত্র-ছায়ায় থেকে বনভূমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে।
ডাঃ জমির আহমদ চার- দলীয় জোট সরকার আমলে জামায়াত রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে ঐ আমলে প্রচুর পরিমাণ সংরক্ষিত বন-ভূমি দখল রাখে। ১/১১ সরকারের সময় প্রশাসনের নজরদারীর কারণে করতে না পারলেও বর্তমানে ক্ষমতাসীনদলের প্রভাবশালীনেতাকে মোটা অংকের টাকায় ম্যানেজ করে এসব নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
সংরক্ষিত পাহাড়ে অবৈধভাবে স্থাপনা (মার্কেট) নির্মাণ করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভাড়া দিচ্ছে বন-খেকোরা।
সরেজমিন গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, আবদু সালাম ও ডাঃ জমির আহমদ বিভিন্ন সময় প্রভাবশালী ( জনপ্রতিনিধি) নেতার নাম বিক্রি করে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড চালাছে।
স্থানীয়রা আরো জানান,আমরা সাধারণ মানুষ তাদের কাছে জিম্মি, তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করলে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দেন এমকি অতর্কিতভাবে হামলাও চালাই তারা।

ডাঃ জমির আহম্মদ সম্পর্কে স্থানীয়রা অভিযোগ করে আরো বলেন,কোন প্রাতিষ্টানিক বিশ্ব-বিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বিষয়ে কোন ডিগ্রি বা অধ্যায়ন করে পাস করেননি,এরপরেও তিনি নামের আগে ডাক্তার লেখে প্রতারণা করছে চিকিৎসার নামে।
সে বর্তমানে বনকানন বাজারের ডাঃ জমির আহমদ নামে সাইনবোর্ড লাগিয়ে ফার্মাসিস্ট লাইসেন্স ছাড়া ফার্মেসি দোকানে বসে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে ঔষধ বিকি-কিনি করেন। এতে করে স্থানীয় অধিবাসীরা অপচিকিৎসার শিকার হয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অপচিকিৎসার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ উল্টো হামলা ও মামলার শিকার হয়। জমির আহমদের এহেন কর্মকান্ড থেকে রেহায় পেতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভূক্তভোগীরা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, জমির আহম্মদ বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত হাজ্বী বাজার ও বনকানন বাজারের ডাক্তার হিসাবে অসুস্থ রোগীদের সেবা দিয়ে আসছি। পাশাপাশি আমার মালিকানাধীন বাজারে পাশে ১০টির উপর দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছি। যায়গাগুলো আসলে রিজার্ভভূমির। আমি বন-বিভাগ ও প্রশাসনসহ দলীয়নেতাকর্মীসহ সবাইকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে আমি দোকান নির্মাণ করেছি।

অবৈধ দখলদার মোহাম্মদ হোছাইনও বলেন, বন-বিভাগ ও প্রশাসন সব টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে আমি বাড়ি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছি,আমি কাউকে ভয় করিনা। আমি কাজ করব প্রশাসনের ক্ষমতা থাকলে আমাকে বাঁধা দিত বল,আমার কিছু করতে পারবেনা প্রশাসন।
বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল হকের কাছে জানতে চাইলে বলেন, আমি সবেমাত্র বারবাকিয়া রেঞ্জ কার্যালয়ে যোগদান করেছি। স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আমি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন........

© All rights reserved © 2020 Pekuanews24.com