1. admin@pekuanews24.com : admin-pekuanews :
  2. mdjalalpekua@gmail.com : jalal uddin : jalal uddin
শনিবার, ১৪ মে ২০২২, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পেকুয়ায় ৪০ গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর পেকুয়ায় বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ মুলহোতা শফি আটক পেকুয়ায় ২ সন্তানের জননীর রহস্যজনক আত্মহত্যা! সাংবাদিক ছফওয়ানুল করিমের উপর সন্ত্রাসী হামলার ৩ দিন পর তার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা! উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের পেকুয়া ইফতার মাহফিল সম্পন্ন পেকুয়ায় মামলার সাক্ষী দেয়ায় ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে হামলা পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছফওয়ানুল করিমের উপর সন্ত্রাসী হামলায় কর্মরত সাংবাদিকদের বিবৃতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি: যুব রেড ক্রিসেন্ট পেকুয়া উপজেলার কমিটি অনুমোদন পেকুয়ায় ইসলামি ব্যাংকের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজাখালী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ খান রাজুর মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

পেকুয়ায় তৃতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, বিপাকে নৌকা প্রার্থীরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আওয়ামী লীগের ৫ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী।

অপরদিকে ৪ ইউনিয়নে ৪ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আওয়ামী লীগ ও নৌকার প্রার্থীরা। ২৬ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ৩য় দফা ইউপি নির্বাচনের দলীয় প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণার পরও এসব প্রার্থীরা মাঠে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আসন্ন ইউপি নির্বচনে নৌকার বিজয় ঠেকাতে ওইসব প্রার্থীরা মাঠে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিভিন্ন ইউনিয়নের তৃণমূল আওয়ামিলীগের নেতাকর্মীরা। এনিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হচ্ছে।
উজানটিয়া ইউনিয়ন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল করিম (চশমা)। এ ইউনিয়নে দলের মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার অনুমতি পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান এম শহীদুল ইসলাম চৌধুরী(নৌকা)। তবে ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অতি উৎসাহী নেতাদের বিতর্কিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি তোফাজ্জল করিমে (চশমা)র পক্ষে। তাঁর অনুসারীরা ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে কলাগাছ রোপন করে দলের প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। এতে দল আভ্যন্তরীণ সংঘাতে জড়াতে পারে যেকোন সময়।
সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি জিয়াবুল হক এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আকতার আহমদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম। এজন্য তাঁর বিজয় ঠেকাতে জামাত বি এন পি’র সাথে হাত মিলিয়েছে তোফাজ্জল করিম ও তাঁর অনুসারীরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের ১৮ বছরের ক্ষমতাকালে দলের প্যাড ব্যবহার করে বিভিন্ন জামাত -বি এন পির পরিবারের সন্তানদের আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে প্রত্যায়ন দিয়ে এমনকি সরকারের বিভিন্ন দফতরে আওয়ামী লীগ দাবী করে সব সুবিধা ভোগ করে গাড়ি ও বাড়ির মালিক হয়েছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে নৌকার বিরুদ্ধে এমন কোন কাজ নাই করে যাচ্ছে না। এসব বর্ণচোরাদের বিরুদ্ধে ত্বরিৎ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবীও জানান জেলা ও উপজেলার দায়ীত্বশীল নেতাদের কাছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তোফাজ্জল করিম বলেন, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের হয়ে মানুষের জন্য কাজ করেছি। এবারে আমি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু দলের সিদ্ধান্তে উজানটিয়ার তৃণমূল আওয়ামীলীগ চরম হতাশ। তাই শেষ জীবনে এসে আার আওয়ামী লীগ করতে চাই না। দলের নেতাকর্মীদের চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছি। উজানটিয়ার জনগণ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা চায় আসন্ন নির্বাচনে আমি তাদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়ে যাই।

উজানটিয়া ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী এম শহীদুল ইসলাম চৌধুরী এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। তাঁর মতে জামায়াত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি বলেন, তোফাজ্জল করিম নৌকা না পেলেও দলের প্রার্থীর হয়ে কাজ করবে মর্মে অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে সে বোল পাল্টিয়ে নৌকার ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে। যেকোন মূল্যে নৌকার বিজয় ঠেকানো তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

এদিকে মগনামা ইউনিয়নে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর আদলে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন দুজন। তাঁরা হলেন, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মোজাম্মেল হোছাইন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদুল ইসলাম। তবে প্রত্যাহারের দলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে ফেলেছেন। তাঁরা দুজনই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন। মগনামা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন পাওয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নাজেম উদ্দিনকে জনবিচ্ছিন্ন নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিদ্রোহী প্রার্থী মোজাম্মেল। তিনি মনে করেন এ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায়। তবে অন্য বিদ্রোহী প্রার্থী খোরশেদুল ইসলাম বলেন, দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছেন তাঁর জনপ্রিয়তা বলতে কিছু নেই। এরপরও নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালাম। গত ৭নভেম্বর উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলাম।

পেকুয়া সদর ও রাজাখালী ইউনিয়নে পৃথকভাবে দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁরা হলেন, সদর ইউনিয়ন থেকে উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি ছদর উদ্দিন ওমর রিয়াজ চৌধুরী (টেলিফোন) এবং এডভোকেট রাশেদুল কবির। তবে রাশেদুল কবির সাবেক আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান হলেও সে বর্তমানে আওয়ামী লীগ কিংবা সহযোগী সংগঠনের সদস্য হিসাবে যোগসুত্র নাই। রাজাখালী থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ছৈয়দ নূর (আনারস)। এরমধ্যে ছৈয়দ নূর স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে গত ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করে রাজাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দল বহিষ্কার করবে কি করবে না তা আমার দেখার বিষয় নয়! রাজাখালীর জনগণ আবার আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চাই সেটাই বড় কথা। বৃহষ্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থীতা প্রত্যাহারেরর শেষদিন থাকলেও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী ছদর উদ্দিন ওমর রিয়াজ চৌধুরী (টেলিফোন) ও রাজাখালী ইউনিয়নের ছৈয়দ নুর (আনারস) ভোটের মাট চষে বেড়াচ্ছে। এতে নৌকার বিজয়ে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।

রাজাখালী ইউনিয়ন থেকে নৌকার মনোনয়ন পাওয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল (নৌকা) বলেন, নিজেকে আওয়ামী লীগ পরিচয় দিয়ে নৌকার বিপক্ষে নির্বাচন যারা করবে তাঁরা প্রকৃত আওয়ামী লীগ হতে পারেনা। মুলত নৌকার পরাজয় নিশ্চিত করতেই তাঁরা মাঠে নেমেছে।

বিদ্রোহী প্রার্থীরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকলে দল তাঁদের বহিষ্কার করার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিবে ব

নিউজটি শেয়ার করুন........

© All rights reserved © 2020 Pekuanews24.com