1. admin@pekuanews24.com : admin-pekuanews :
  2. mdjalalpekua@gmail.com : jalal uddin : jalal uddin
সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ১২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পেকুয়ায় ৪০ গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর পেকুয়ায় বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ মুলহোতা শফি আটক পেকুয়ায় ২ সন্তানের জননীর রহস্যজনক আত্মহত্যা! সাংবাদিক ছফওয়ানুল করিমের উপর সন্ত্রাসী হামলার ৩ দিন পর তার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা! উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের পেকুয়া ইফতার মাহফিল সম্পন্ন পেকুয়ায় মামলার সাক্ষী দেয়ায় ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে হামলা পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছফওয়ানুল করিমের উপর সন্ত্রাসী হামলায় কর্মরত সাংবাদিকদের বিবৃতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি: যুব রেড ক্রিসেন্ট পেকুয়া উপজেলার কমিটি অনুমোদন পেকুয়ায় ইসলামি ব্যাংকের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজাখালী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ খান রাজুর মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

নৈশ-প্রহরী রাহমতই জ্বালাল আগুন- পেকুয়ায় লবণ মাঠ নিয়ে সংঘর্ষ,দায়ী কে!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২

পেকুয়া প্রতিনিধি;

কক্সবাজারের পেকুয়ায় লবণ মাঠ নিয়ে সংঘর্ষ প্রতিনিয়ত হচ্ছে, হবে? এর জন্য দায়ী কে? সচেতন মহলের দাবী এরশাদ আলী ওয়াকফ এস্টেটের মোতায়াল্লী ছিল ইজারা ভিত্তিতে হানিফ চৌধুরী। তিনি এ ওয়াকফ এস্টেট পরিচালনায় কার্যকারক নিয়োগ দিয়েছিলেন। যার নাম গিয়াস উদ্দিন। সে বিভিন্নভাবে এস্টেটের একই জমি বিভিন্নজনকে সাব ইজারা দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অহরহ অভিযোগ আছে। আগে বিধি মোতাবেক দরপত্রের মাধ্যমে এস্টেটের জমিগুলো ইজারা দেয়া হত। সম্প্রতি সরকারের ধর্মমন্ত্রণালয়ের আওতায় বিধি মোতাবেক দরপত্র বিক্রয়ের ভিত্তিতে ইজারা দেয়ার বিরুদ্ধে এরশাদ আলী চৌধুরীর ওয়ারেশীর একটি পক্ষ নিলামের কার্যক্রম চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত নিলাম কার্যক্রমের উপর স্থগিতাদেশ দেন। এ কারণে ধর্মমন্ত্রণালয় মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস্টেটের মোতায়াল্লী হিসাবে চলমান কার্যাদী সম্পাদন করবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় এস্টেটের কার্যাদী যথানিয়মে না করে গিয়াস উদ্দিনের পরামর্শে যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করতে গিয়ে ইজারাদারদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করে এ প্রতিবেদককে বলেন ইজারাদার গ্রহিতা সাবেক ইউপি সদস্য আজু। একই জমি একাধিকজনকে ইজারা দেয়ার বিষয় নিয়ে বারবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্বিতা চাকমা বরাবর অভিযোগ দেয়ার পরও এর সুরাহ না দেয়ায় রাতের বেলায় লবণ মাঠে সাঁটানো পলিথিন কেটে দেয়ার অজুহাতে শনিবার সকাল ৭ টায় ভুক্তভোগী চাষীরা শাহাদত চেয়ারম্যানের কর্মচারী বদিউল আলমের উপর চড়াও হলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আলী আজম নামে এক লবণ চাষী গুরুতর হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আহত আলী আজম একই এলাকার নুরুল হোসেনের ছেলে বলে জানা যায়।আহতের ঘটনা নিয়ে অতি উৎসাহি কিছু লোক নিরীহ লবণ চাষীদের মামলার আসামী করার হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে জানা যায়। এক ঘটনা শেষ হতে না হতেই দ্বিতীয় ঘটনার শুরু করল বদিউল আলম। আহতের ঘটনা নিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে না পেরে ক্ষুদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষ হাসান শরীফের বসতঘরে অনুপ্রবেশ করে মহিলাদের উপর হামলা চালিয়ে ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে সে পালিয়ে গিয়ে নিজ মালিকানাধীন পরিত্যক্ত ঝুঁপড়ি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে জানান স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী উর্মি বেগম নামে ৮/৯ বছর বয়সী এক শিশু। এসবের পেঁছনে কলকাঠি নাড়ছেন উপজেলা প্রশাসনের নৈশ-প্রহরী কাম এরশাদ আলী ওয়াকফ এস্টেটের অলিখিত কার্যকারক রাহমত আলী। সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে আরো জানা যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসাবে উপজেলার প্রশাসনের নৈশ-প্রহরী রাহমত আলী এস্টেটের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের দেখভাল করার দায়ীত্ব নেয়ার কথা বলে ইজারাদারদের কাছ থেকে তাদের চাহিদামত জমি পাইয়ে দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ ধারাবাহিকতায় রাজাখালী বামুলার পাড়ায় লবণ মাঠের হিসাব স্থিতির অতিরিক্ত দেখিয়ে বিবাদমান দু-গ্রুফকে লবণ মাঠ ইজারা দেয়ার সুপারিশ করে মোতায়াল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্বিতা চাকমাকে। এ সুবাধে মোতায়াল্লী পূর্বিতা চাকমা আনছারুল ইসলাম গংকে প্রায় ৮২ একর লবণ মাঠ ইজারা দেয়। অপরদিকে সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদত আলীকে ৬৪ একর লবণ মাঠ ইজারা দেয়। চাষীদের হিসাব অনুযায়ী ঐ এলাকায় জমির স্থিতি আছে ১শত ২০ একর। ইজারা দেয়া হয় ১ শত ৪৬ একর। অতিরিক্ত ২৪ একরের হিস্যা নিয়ে এ সংঘাতের উৎপত্তি। তাইতো সচেতন মহল আক্ষেপ করে বলাবলি করছেন গণিমতের মাল নিয়ে সাধারণ চাষীরা রক্ত ঝরাচ্ছে আর সাহেব-সাহেবানরা গোঁফে তৈল মর্দন করছেন। অন্যদিকে সাধারণ এলাকাবাসীরা নির্ঘুম রাত কাঠাচ্ছেন মামলার আসামী হওয়ার জুঁজুর ভয়ে।
ইজরাদার আনছারুল ইসলাম টিপুর কাছে জানতে চাইলে বলেন, বিগত ১ মাস আগে উপজেলার নৈশ-প্রহরী রাহমত আলীর সহযোগিতায় ৮২ একর লবণ মাঠ ইজারা নিই মোতায়াল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্বিতা চাকমার কাছ থেকে। কিন্তু চুক্তি মোতাবেক সম্পূর্ণ জমি বুঝিয়ে না দিয়ে রাহমত আলীর পরামর্শে শাহাদত চেয়ারম্যানকে ৬৪ একর জমি ইজারা দেয়। শাহাদত চেয়ারম্যান তার লোক বদিউল আলমকে দিয়ে আমার নিয়োগকৃত চাষাদের লবণ মাঠে সাঁটানো পলিথিন রাতের অন্ধকারে কেটে দেয়। এতে চাষীরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে বদিউল আলমের উপর চড়াও হলে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে আমার চাষী নুরুল হোসেনের ছেলে আলী আজম গুরুতর আহত হয়।<
এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্বিতা চাকমার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সংযোগ না দেয়ায় বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন........

© All rights reserved © 2020 Pekuanews24.com