1. admin@pekuanews24.com : admin-pekuanews :
  2. mdjalalpekua@gmail.com : jalal uddin : jalal uddin
শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পেকুয়ায় ৪০ গৃহ ও ভূমিহীন পরিবারকে ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর পেকুয়ায় বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ মুলহোতা শফি আটক পেকুয়ায় ২ সন্তানের জননীর রহস্যজনক আত্মহত্যা! সাংবাদিক ছফওয়ানুল করিমের উপর সন্ত্রাসী হামলার ৩ দিন পর তার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা! উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের পেকুয়া ইফতার মাহফিল সম্পন্ন পেকুয়ায় মামলার সাক্ষী দেয়ায় ব্যবসায়ীর বসতবাড়িতে হামলা পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছফওয়ানুল করিমের উপর সন্ত্রাসী হামলায় কর্মরত সাংবাদিকদের বিবৃতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি: যুব রেড ক্রিসেন্ট পেকুয়া উপজেলার কমিটি অনুমোদন পেকুয়ায় ইসলামি ব্যাংকের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজাখালী ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রিয়াজ খান রাজুর মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন

পেকুয়ায় আ’লীগের সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শাহাদাত

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় সদর ইউনিয়ন আওমীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অধিবেশনে সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা আওয়ামী রাজনীতির দু:সময়ের কান্ডারী এস,এম শাহাদাত হোসেন। কাউন্সিলে প্রার্থীতা ঘোষণা করে অনেক আগে থেকে সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের মাঠে শক্তিশালী অবস্থান তৈরী করেছেন সাবেক এই ছাত্রনেতা। আগামী এক মাসের মধ্যেই হতে পারে আওয়ামীলীগের পেকুয়ার তৃণমূলের সম্মেলন। দলকে শক্তিশালী ও সংগঠনকে বেগবান করতে রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ সংগঠন পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এর চুড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ ইতিমধ্যে সাংগঠনিক প্রক্রিয়া জোরদার করেছেন। এস,এম শাহাদাত হোসেন আওয়ামী রাজনীতির দু:সময়ের কান্ডারী। মাঠের দুর্দিনের আদর্শিক কর্মী। যে কোন দু:সময় ও কঠিন মুহুর্তে এস,এম শাহাদাত এসেছেন দলের পক্ষে রাজপথে। আপাদমস্তক তিনি আওয়ামীলীগ। তার পিতা ও পৈত্রিক চেতনা থেকে এ রাজনীতির দর্শন ও চিন্তাকে আলিঙ্গন করছিলেন শৈশব সময় থেকে। এস,এম শাহাদাত পেকুয়ায় অত্যন্ত পরিচিত মুখ। তাকে অনেক আগে থেকে পেকুয়ার মানুষ চিনেন ও জানেন। সাবেক ছাত্রনেতা থেকে তিনি রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। এক সময় স্কুল ও কলেজে অধ্যায়নের সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির প্রাণভ্রূমরা ছিলেন। মুজিবাদর্শকে ধারণ করে ছাত্রলীগের রাজনীতিকে মাঠে ছড়িয়ে দিতে করছিলেন কাজ। রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষাবিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন ও মানুষের অধিকারের পক্ষেও কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। এস,এম শাহাদাত এর পিতা জহিরুল ইসলামও পেকুয়ার প্রখ্যাত আওয়ামীলীগ ব্যক্তিত্ব। পিতা জহিরুল ইসলাম ছিলেন একদিকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও অন্যদিকে ছিলেন জনপ্রতিনিধিও। এক সময় পেকুয়া সদর ইউনিয়নে এস,এম শাহাদাতের পিতা জহির মেম্বার ছিলেন মানুষের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। সত্তরের দশকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অকুতোভয় সৈনিক ছিলেন জহির মেম্বার। প্রচন্ড প্রতিবাদী ও গরীব দরদী ছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সাধারণ দরিদ্র মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে জহির মেম্বাররা ছিলেন পেকুয়ার বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক কর্মী। ১৯৬৬ সনের দিকে বাঙ্গালীর স্বাধীকার আদায়ের যে মুক্তির সনদ ৬ দফা ঘোষিত হয়েছিল। এস,এম শাহাদাতের পিতা জহিরুর ইসলাম পেকুয়ায় আওয়ালীগের প্রতিষ্টাতা সদস্য। সংগ্রামের উত্তাল সময়ে ৬৭ সনের দিকে ছিলেন বদরখালী স্কুল ছাত্র সংসদ কমিটির ছাত্রলীগের নির্বাচিত ভিপি। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য লড়াই করেছেন। সম্মুখ যুদ্ধে স্বশস্ত্র অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের ২ নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে লিপ্ত হন। ওই সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। পরবর্তীতে তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম,এ জি ওসমানীর হাত থেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সনদ পেয়েছিলেন এস,এম শাহাদাতের পিতা জহিরুল ইসলাম। ভারতের আগরতলায় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। সেখান থেকে জহির মেম্বার ট্রেনিং নিয়ে প্রশিক্ষিত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস দেশ ও মাতৃকার জন্য যারা এক সাগর রক্তের অবগাহন করে যুদ্ধের জন্য অকুতোভয় সৈনিক ছিলেন এদের অনেকেই আজকে মুক্তিযোদ্ধা নিবন্ধিত তালিকা থেকে বাদ পড়ে গেছে। জোট সরকারের সময় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ওই তালিকা থেকে কৌশলে বাদ দেন। সেখানে ছিলেন পেকুয়ার জহির মেম্বারও। ৭৫ এর দিকে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দেন। সেই সময় সমতাভিত্তিক অর্থনীতির ডাক উঠে। বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা ছিল কেউ খাবে আর কেউ খাবে না, তা হবে না, তা হবেনা। লাঙ্গল যার জমি তার। এ শ্লোগান ছিল সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে ঐক্যবদ্ধ করার চুড়ান্ত লক্ষ্য। সে সময় এস,এম শাহাদাতের পিতা জহির মেম্বাররা এ শ্লোগানের পেকুয়ার রুপকার ও স্বপ্ন বাস্তবায়নকারী ছিলেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগকে শ্রমজীবি মানুষের সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেন। এর চুড়ান্ত লক্ষ্যে পৌছতে আ’লীগের নামকরণ করেছিলেন কৃষক-শ্রমিক আওয়ামীলীগ। দ্বিতীয় বিপ্লবে গঠন করেছিলেন বাকশাল। সেই দর্শন ও চেতনার অন্যতম মূর্তপ্রতীক ছিলেন এস,এম শাহাদাতের পরিবার। এক সময় এডভোকেট জহিরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে সাংসদ ও পরবর্তীতে গভর্ণর নিযুক্ত হন। মহকুমা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সমাজতন্ত্রভিত্তিক অর্থনীতি প্রবর্তন ব্যবস্থা জোরদারের প্রক্রিয়া চালান সারা বাংলাদেশে। এস,এম শাহাদাতের পরিবার ওই শ্লোগানকে মানুষের মাঝে পৌঁছিয়ে দিতে কাজ করেছিলেন। তার পিতা জহিরুল ইসলাম একজন দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় উত্তাল দিনগুলিতে পাকিস্থান বাহিনীকে মোকাবেলা করতে স্বশস্ত্র অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। জহির মেম্বার মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলেও তবে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় তিনিসহ অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে তালিকাভূক্ত করা যায়নি। কিন্তু শাহাদাতের পিতা ছিলেন একজন সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। সাবেক ছাত্রনেতা এস,এম শাহাদাত এক সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির আদর্শিক কর্মী। জোট সরকারের সময় ৭/৮ টি গায়েবী মামলায় ছিলেন আসামী। সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কাউন্সিল ও সম্মেলনে তিনি একবার ভোট করেন। সামান্য ব্যবধানে ছিটকে পড়েন। ১৯৯২ থেকে ৯৪ সাল পর্যন্ত জিএমসি স্কুলে ছাত্রলীগের সম্পাদক ছিলেন। ৯৪-৯৫ সালের দিকে সাতকানিয়া সরকারী কলেজে বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ৯৫-৯৬ সনে একই কলেজ থেকে তিনি উত্তীর্ণ হন। ৯৭-২০০০ সাল পর্যন্ত সাতকানিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। ২০০১-২০০৩ সালের দিকে চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। ২০০২-২০০৪ সালের দিকে চট্টগ্রাম আইন কলেজে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। স্বেচ্ছাসেবকলীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। সদর ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ছিলেন। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কক্সবাজার জেলা শাখার কার্যকরী সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় শ্রমিকলীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা ক’জন মুজিব সেনা সংগঠনের সাতকানিয়া উপজেলার সাধারন সম্পাদক ছিলেন। চট্টগ্রামস্থ পেকুয়া ছাত্র যুব কল্যাণ পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। আলোকিত পাঠশালা আন্নরআলী মাতবরপাড়ার উপদেষ্টা হিসেবে আছেন। পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এস,এম, সি কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। পেকুয়া সরকারী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষানুরাগী হিসেবে আছেন। এস,এম শাহাদাত কক্সবাজার জেলার আওয়ামী রাজনীতির অন্যতম নীতিনির্ধারক জেলার প্রখ্যাত আইনজীবি প্রয়াত আ’লীগ নেতা এডভোকেট আমজাদ হোসেনের মামাতো ভাই। তিনি সকলের দোয়া ও আন্তরিক সমর্থন কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন........

© All rights reserved © 2020 Pekuanews24.com