

তুবদিয়া উপজেলা বিএনপিতে ফের অন্ত:কোন্দল বেড়েই যাচ্ছে। দ্বীপের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি’র একটা শক্ত অবস্থান রয়েছে। এই অবস্থান তৈরি হয়েছিল মূলত: জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এটিসএম নুরুল বশর চৌধুরীর বদৌলতে।
জেলার নেতা ছাড়াও তিনি সাবেক সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যা ন, ইউপি চেয়ারম্যা নের দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে দলীয় কর্তৃত্বের প্রভাব ছিল বরাবরই। তবে মহেশখালীর সন্তান সাবেক সাংসদ আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদকে নিয়ে তৃণমূলে পক্ষে বিপক্ষে অবস্থানে একসময় ছিল বিভাজন। উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন আলমগীর ফরিদের পক্ষেই। এটিাই পর্বর্তীতে বশর গ্রুপ আর জালাল গ্রুপ নামে পরিচিত পায়।
বেশ কিছু দিন কোন গ্রুপিং না থাকলেও সাবেক ছাত্রদল নেতার বাড়িতে একটি দাওয়াতে আলমগীর ফরিদ উপস্থিত হন। সেখানে নুরুল বশর চৌধুরী সহ উপজেলার অনেিক নেতাকর্মী দাওয়াতে আসেপননি বলে জানা যায়। এর পরেই উপজেলা বিএনপির অফিকস হয় দু’টি। কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় দলীয় কার্যক্রম এবং কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যয় সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দি ন আহমদের পক্ষে উভয় গ্রুপেই কাজ করছেন।
তার আগমন উপলক্ষে দক্ষিণ ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যা ন বিএনপির সাবেক ইউনি য়ন সভাপতি আলাউদ্দি ন আল আজাদের নেতৃত্বে জালাল গ্রুপের হয়ে ধুরুংবাজারে মিছিল করেন।
পরের দিন একটি মিছিলোত্তর সভায় বিএনপির নুরুল বশর চৌধুরী পন্থী দক্ষিণ ধুরুং বিএনপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যায়ন ছৈয়দ আহমদ চৌধুরী ও সেক্রেটারী কামরুল হাসান সিকদার উত্তপ্ত বক্তব্যত রাখেন।
চেয়ারম্যাদন আজাদ ২০১৪ সালে উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যা ন প্রার্থী নুরুল বশর চৌধুরীর পক্ষে কাজ না করে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মন্জুর আলম সিকদারকে সমর্থন দেয়ায় বহিষ্কার হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পর জালাল গ্রুপে সস্পৃক্ত হওয়ায় আলো চনায় আসেনন তিনি।
চেয়ারম্যােন আযাদ বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ইউনিয়ন সভাপতি ছিলেন। উপজেলা কিংবা ইউনিায়ন বিএনপি, অংগ সংগঠনের দায়িত্বশীলরা থাকতেও জেলা বিএনপির সহসভাপতি নুরুল বশর চৌধুরী নেপথ্যে কর্তৃত্ব বজায় রাখেন। যা ইচ্ছে মত চাপিয়ে দেয়ার মত। এটি পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন। দলকে ঐক্য্ ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যেয় তিনি জেলা সহসভাপতির বলয় থেকে বেরিয়ে এসেু নতুন করে রাজনীতি করতে চান বলে মন্তব্যা করেন ।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান সিকদার বলেন, চেয়ারম্যান আজাদ বিএনপির কেউ নন, দলে কোন পদেও নেই। বিএনপি করলে বিগত ১০ বছর দলের দু:সময়ে কোথায় ছিলেন? হঠাৎ কেন্দ্রীয় নেতার আগমনে বিএনপি করেন- এমনটা দলীয় নেতা কর্মীরা মেনে নেবেনা।
দলে নতুন করে গ্রুপিং তৈরি হবার ব্যা পারে তিনি বলেন, আওয়ামী দু:শাসন থেকে দেশের মানুষ মুক্তি পেয়েছে। এখন দলে ঐক্য প্রয়োজন আগামী নির্বাচনের জন্যে। এই বিভাজন এক করতে হলে উপজেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে আহবায়ক কমিটি করা দরকার বলে তিনি মনে করেন।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাস্টার কামরুল ইসলাম বলেন, জেলার সিনিয়র সহসভাপতির কারণেই আবার মতানৈক্যক তৈরি হয়েছে। বিভাজন দূর করতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহ উদ্দি ন এর হস্তক্ষেপেই সম্ভব হবে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম, এ ছালাম কুতুবী বলেন, এটা কুতুবদিয়া বিএনপির জন্যন বড় কিছুনা। সময়মত এক হয়ে যাবে তৃণমুল নেতা কর্মীরা। আমাদের এখন দলগঠনে ঐক্যয প্রয়োজন, উপজেলা বিএনুপির সভাপতি জালাল আহমদ বলেন, সামান্যট ব্যা পার নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি হওয়ায় অফি স দুইটা হয়েছে। এতে দলীয় কার্যক্রম সমান তালেই চলছে।
খুব সহসাই তারা ঐক্যযমতে পৌঁছে যাবেন। দীর্ঘ সময় এই গ্রুপিং সমস্যাত থাকবেনা বলে তিনি মনে করেন।